মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে এলজিএসপি-২

এলজিএসপি-২ পরিচিতিঃ

 

জনসাধারনের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষে সরকার ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি:২)। জুলাই ২০১১ থেকে জুন ২০১৬ পর্যন্ত ‘দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি:২) বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক একাউন্টে প্রকল্প কার্যালয় থেকে সরাসরি থোক বরাদ্দ দেয়া হয়।

 

প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ

·         স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

·         জনগণের দ্বারা উন্নয়ন চাহিদা নিরুপণ।

·         আর্থিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা।

·         ইউনিয়ন পরিষদকে কার্যকর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

·         জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

·         ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা।

·         দারিদ্র বিমোচন।

·         নারীর ক্ষমতায়ন।

 

এলজিএসপি-২ এর মূল বৈশিষ্ট্যঃ

·         ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি থোক বরাদ্দ প্রদান;

·         ১০০% ক্ষেত্রে প্রকল্পের বিল নগদ চেকে না দিয়ে ঠিকাদার/সরবরাহকারী বরাবর ক্রসচেকে পেমেন্ট করা;

·         ওয়ার্ড কমিটি ও সুপারভিশন কমিটির প্রত্যয়ন ব্যতীত বিল প্রদান করা হয়না;

·         প্রকল্পের বিল উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রকল্প সংশিস্নষ্ট কাগজপত্র ও কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যয়ন বাংকে দাখিল করা ব্যতীত বিল প্রদান করা হয়না।

·         প্রতিটি প্রকল্পের সাইনবোর্ড/নামফলক দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

·         প্রকল্পের আওতায় থোক বরাদ্দের ৩০% অর্থ মহিলাদের দ্বারা অগ্রাধিকার প্রাপ্ত স্কিম বাস্তবায়ন করা;

·         প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যক্রমে স্বচছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ;

·         নিয়মিত অডিট, মনিটরিং, নতুন ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদকে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা;

·         স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র বিমোচন, সরাসরি জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে অংশীদারিত্ব ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা;

·         সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা;

·         জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দায়বদ্ধতা ও পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা ও ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা।

 

এলজিএসপি-র তহবিল      

 

অর্থায়নের খাত

শতকরা হার

কোটি টাকা

মত্মব্য

ইউপি বরাদ্দ

৯১.০%

৩৫৪২

বিবিজি ৩১৪৫(৮৯%) + পিবিজি ৩৯৭(১১%)

প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য

০৬.৩%

২৪৮

 

আইইসি ও অডিট

০২.০%

৭৫

 

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা

০০.৭%

২৭

 

 

১০০%

৩৯১২

বাংলাদেশ সরকার- ৪৭% বা ১৮৩৯ কোটি টাকা

বিশ্বব্যাংক         - ৫৩% বা ২০৩৭ কোটি টাকা

 

 

 

 

 

বিবিজি  (বেসিক ব্লক গ্র্যান্ট- মোলিক থোক বরাদ্দ)  বিভাজনঃ

 

  1. মৌলিক থোক বরাদ্দের ২৫% অর্থ সকল ইউপির মধ্যে  সমহারে বিতরণ
  2. অবশিষ্ট ৭৫%: জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৯০% ও আয়তনের ভিত্তিতে ১০%
  3. মৌলিক থোক বরাদ্দ (বিবিজি) প্রাপ্তির মাপকাঠি
  4. (১) পূর্ববর্তী আর্থিক বছরের আপত্তিবিহিন অডিট রিপোর্ট
  5. (২) পরবর্তী আর্থিক বছরের বার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেট
  6. (৩) সময়মত ষান্মাসিক রিপোর্ট ও আর্থিক বিবরণী প্রদান
  7. বিবিজি বিলম্ব বা স্থগিত হওয়ার কারণ
  8. (১) বার্ষিক অডিট না করানো ও/বা অডিট আপত্তি
  9. (২) সময়মত ষান্মাসিক ও আর্থিক বিবরণী প্রদানে ব্যর্থতা

10.   (৩) পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে ব্যর্থতা

 

নোটঃ উলেস্নখিত যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ ইউপি শুধুমাত্র ২৫% বরাদ্দ পাবে।

 

পিবিজি (দক্ষতাভিত্তিক বরাদ্দ)ঃ

মৌলিক থোক বরাদ্দের (বিবিজি) বাইরেও ইউনিয়ন নিম্নলিখিত সুচকের স্কোরের ভিত্তিতে কিছু দক্ষতাভিত্তিক বরাদ্দ দেয়া হয়।

 

ক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ প্রাপ্তির মাপকাঠি

সর্বোচ্চ স্কোর

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রনয়ণ

আর্থিক ব্যবস্থাপনা

১০

নিজস্ব রাজস্ব আদায়

স্বচছতা ও জবাবদিহিতা

 গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা

১  

মোট স্কোর-৩০

 

 

 

 

অনিয়মের জন্য শাস্তি /জরিমানা করা হয় কি না?

 

·         মাঠ পর্যায়ে কাজের ঘাটতি বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে শাস্তি হিসেবে বরাদ্দ স্থগিত করার বিধান রয়েছে। মাঠ পরিদর্শনে বিভিন্ন সময় প্রকল্পের কাজে ত্রুটি থাকার দরুন এপ্রিল ২০১৫ মাসে রাজবাড়ী জেলার ০৬টি ইউনিয়নের (মিজানপুর,মৃগী,মদাপুর,বাবুপাড়া,ইসলামপুর, দেবগ্রাম) বরাদ্দ স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউনিয়নগুলো ত্রুটি সংশোধন করে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রতিবেদন প্রদান করার ফলে  জুন ২০১৫ মাসে বরাদ্দ পুনরায় চালু করা হয়।

 

·         ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ১৯টি ইউপিতে অডিট আপত্তি থাকাতে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তাদের শাস্তিমুলকভাবে ৭৫% বরাদ্দ স্থগিত করা হয়েছে। অনিয়ম/ত্রুটি সংশোধনপূর্বক ইউনিয়ন পরিষদের জবাবের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এলজিএসপি-২ এর প্রকল্প কার্যালয়ে ১৯টি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব এবং ডিডিএলজি ও ডিএফ এর উপস্থিতিতে জানুয়ারী ২০১৬ মাসে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আপিলে রায় সন্তোষজনক হলে পুনরায় ১৯টি ইউপিতে বরাদ্দ ছাড়করণ করা হবে।

 

২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বরাদ্দ  সাময়িক স্থগিত সংক্রান্ত তথ্যঃ

 

এখানে উল্লেখ্য যে, ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অডিট আপত্তির জবাব এবং উক্ত জবাবেরর প্রেক্ষিতে ডিডিএলজি’র মাঠ পরিদর্শন প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে। গত ১০ জানুয়ারী ২০১৬ এলজিএসপি-২ এর প্রকল্প কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাসহ প্রতিটি ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব এবং ডিডিএলজি, ডিএফ এর উপস্থিতিতে উক্ত আপির আবেদনের শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে আপিলের রায় চুড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে এবং ১৯টি ইউপি চেয়ারম্যান তাদের ভুলগুলোর ব্যাপারে ক্ষমা প্রার্থনা করে অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করেছেন।

 

 

ইউপি অডিট সংক্রান্ত তথ্যঃ (২০১৪-১৫)

  • প্রতি বছর এলজিএসপি-২, ১%, এডিপিসহ ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল বরাদ্দের সুষ্ঠু ব্যবহার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক নিয়োগকৃত বেসরকারী অডিট ফার্মের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ অডিট করানো হয়ে থাকে।
  • স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক নিয়োগকৃত বেসরকারী অডিট ফার্ম বাসু ব্যানার্জী নাথ এ্যান্ড কোং নভেম্বর ২০১৫ মাসে রাজবাড়ী জেলার ৪২টি ইউনিয়নে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
  • ১ জন অডিট ম্যানেজার সহ ০৪টি অডিট টিমের মাধ্যমে প্রতি ইউপিতে ০৪দিন করে সরেজমিনে প্রকল্প পরিদর্শনসহ অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
  • এডিপি,এলজিএসপি,১%,হাটাবাজার,টিআর,কাবিখা/কাবিটা, নিজস্ব আয়, জন্মনিবন্ধন,গ্রাম আদালত প্রভৃতিসহ অন্যান্য খাতের প্রকল্প অডিটভুক্ত ছিল।
  • অডিট কাজ সম্পন্ন শেষে ইউপি চুড়ামত্ম অডিট প্রতিবেদন তৈরীর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  • অডিটে উর্ত্তীন না হলে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ কম দেয়া হয় এবং অডিট আপত্তি হলে বরাদ্দ স্থগিত করা হয়।

 

এলজিএসপি-২ ওয়েবসাইট ওইউনিয়ন পরিষদের এমআইএস সিস্টেম চালুকরণঃ

 

·         এলজিএসপি-২ প্রকল্পের একটি ওয়েব সাইট রয়েছে যেখানে প্রকল্প সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য রয়েছে। ওয়েব সাইট            

           ঠিকানা- www.lgsplgd.gov.bd

  • সারাদেশের ৪৫৫২টি ইউনিয়নের জন্য একটি নতুন এমআইএস সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
  • ওয়ার্ড সভা, বাজেট, পরিকল্পনা, আর্থিক বিবরণী, যাবতীয় রিপোর্টের তথ্যাদি সরাসরি অনলাইন ডাটা এন্টি দিতে হবে।
  • এমআইএস সিস্টেম এর অন্যতম সুবিধা হলো প্রতিটি ইউপির সকল তথ্যাদি আপলোড থাকলে যে কেউ ইউনিয়ন পরিষদের  তথ্য এক নজরে দেখতে পারবে এবং ইউপির কার্যক্রমের  স্বচছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।
  • এমআইএস-এর উপর ইতোমধ্যে ৬৪টি জেলা থেকে ৬৪ জন ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর ও ৬৪ জন ইউপি সচিবকে মাস্টার ট্রেইনার এর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
  • রাজবাড়ী জেলা থেকে সদর উপজেলার বরাট ইউপির সচিবকে মাস্টার ট্রেইনার এর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

এলজিএসপি:২-এর অর্থে যেসব স্কিম গ্রহণ করা যাবে:

১. যোগাযোগ

·         গ্রামের রাস্তাসমূহ নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ /রক্ষণাবেক্ষণ

·         কালভার্ট/ব্রিজ/ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ

·         গ্রামের রাস্তা বা সড়কের পাশে পানি নিষ্কাশন ড্রেইন নির্মাণ

২. পানি সরবরাহ

·         পানি সরবরাহের জন্য নলকূপ/পাইপ স্থাপন

·         ঝরণার পানি সংগ্রহ/সংরক্ষণাগার নির্মাণ

৩. প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা

·         সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি

·         ভূমি ক্ষয় প্রতিরোধকল্পে অবকাঠামো নির্মাণ

·         প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

৪. পয়ঃনিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

·         পয়ঃনিষ্কাশন সম্পর্কে প্রচারণা কার্যক্রম

·         বায়োগ্যাস স্থাপনে উৎসাহিতকরণ কর্মসূচি

 

৫. স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা

·         গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ

·         স্বাস্থ্য সচেতনতা, পরিবার পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা

·          স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য উপকরণ সরবরাহ

·          খ-কালীন স্বাস্থ্য কর্মীর বেতন প্রদান 

৬. শিক্ষা

·         শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার/নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ

·         প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসবাবপত্র সরবরাহ

·         শিক্ষা উপকরণ ক্রয়

·         শিক্ষা সচেতনতা বিষয়ক প্রচারণা কর্মসূচি

৭. কৃষি ও বাজার উন্নয়ন

·         গবাদি পশুর টিকাদান কেন্দ্র নির্মাণ

·         বাজারের টোলঘর/ছাউনি নির্মাণ

·         সর্বসাধারণের ব্যবহার্য সেচ সুবিধার ব্যবস্থা করা

·         উন্নত চাষাবাদ সম্পর্কিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচী। 

৮. মানব সম্পদ উন্নয়ন

·         নারী উন্নয়ন ও আত্ম-কর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ

·         দুস্থদের জন্য আয়বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ

·         দরিদ্র যুবক ও যুব মহিলাদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি/তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

·         ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের জন্য সহায়তা প্রদান

·         তথ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়ন

 

•       এলজিএসপি:২ এর অর্থ যেসব ক্ষেত্রে ব্যয় করা যাবে না:

১.   ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সদস্য কিংবা কর্মীদের বেতন, মজুরি  বা অন্য কোনো সুবিধা প্রদান

২.  ইউনিয়ন পরিষদের অবকাঠামো নির্মাণ, আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি সংক্রান্ত স্কিম

৩. নেতিবাচক পরিবেশগত/সামাজিক প্রভাব আছে এরূপ স্কিম

৪.  ক্ষুদ্র ব্যবসার উদ্যোগে ঋণ সরবরাহ

৫. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত স্কিমে অর্থায়ন